শনিবার , জানুয়ারি ১৬ ২০২১
Home / সারা দেশ / গঠনতন্ত্র।

গঠনতন্ত্র।

#ধারা_১ সংগঠনের নাম :শ্রীপুর উপজেলা প্রেস ক্লাব ( এস ইউ পি সি) হবে ।
#ধারা ২ ঠিকানা ও প্রতিপাদ্য: শ্রীপুর, গাজীপুর।ও প্রতিপাদ্য সেবাই ধর্ম ।
#ধারা_৩ কার্য এলাকা :এই প্রতিষ্ঠানের কার্যএলাকা প্রাথমিক ভাবে শ্রীপুর উপজেলায় সীমাবদ্ধ থাকবে।
#ধারা_8 সংগঠনের প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্য : প্রতিষ্ঠানটি একটি অরাজনৈতিক অলাভজনক সংগঠন হিসাবে দেশ ও সমাজ উন্নয়ন কাজ করবে। প্রতিষ্ঠানটি সমাজ উন্নয়মূলক ও কর্মকান্ডের লক্ষ্যে জনগনের সুযােগ সুবিধা বজায় রাখার পাশাপাশি সমাজের পশ্চাৎপদ ও অনগ্রসর জনগােষ্ঠির আর্থ-সামাজিক, শিক্ষা, সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও উন্নয়নসহ বহুমুখী স্বকর্মসংস্থানসহ সংবাদ কর্মীদের সকল ধরনের সহযোগীতা মূলক কর্মসূচী গ্রহন করবে। সমাজ উন্নয়নে বৃহত্তর জনগােষ্ঠির ব্যাপক অংশগ্রহনের ভিত্তিতে এলাকার তথা সমাজের বিভিন্ন স্তরের লােকদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করায় প্রতিষ্ঠানটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। (সংশ্লিষ্ট বিভাগের অনুমােদনক্রমে)
#ধারা_৫ সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পিছিয়ে পড়া একটি এলাকা শ্রীপুরে বিভিন্ন সংবাদ কর্মীদের একই ছাদের নিচে এনে সমন্বয় সাধন ও এলাকার উন্নয়নে দেশ কে দল মত নির্বিশেষে জাগরিত করে তুলে সার্বিক উন্নতিতে অবদান রাখা
#ধারা_৬ সংগঠনের সদস্য,সদস্যাদের শ্রেণি বিভাগ:
ক) উপদেষ্টা সদস্য : বিশেষ যােগ্যতা ও বিশেষ বিষয়ে পারদর্শী এবং সুদক্ষ বিশিষ্ট অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যক্তিদেরকে সংগঠনের উপদেষ্টা সদস্য হিসাবে মনােনীত করা হবে।
খ) প্রতিষ্ঠাতা সদস্য : যে সব সদস্যগন এই সংস্থা স্থাপনের প্রতিষ্ঠাকালীন স্বাক্ষরদাতা হবেন এবং সংস্থার প্রতিষ্ঠার প্রথম উদ্যোগ গ্রহনকারী সকলেই এই সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য/ সদস্যা হিসাবে গণ্য হবে। প্রতিষ্ঠাতা সকল সদস্য সংগঠনের সাধারন পরিষদের সদস্য বলে অভিহিত হবে।
গ) সাধারণ সদস্য : সাধারণ সদস্য/ সদস্যাদের যােগ্যতা নিম্নে বর্ণিত ৭নং ধারা মােতাবেক নির্ধারিত হবে।
ঘ) আজীবন সদস্য : যে সব বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ প্রতিষ্ঠানের তহবিলে এককালীন ৫০০০/ হাজার) টাকা প্রদান করবেন তাদেরকে প্রতিষ্ঠানে আজীবন সদস্য হিসেবে মনােনীত করা হবে।
৬) দাতা সদস্য : যে সব বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ সংগঠনের তহবিলে এককালিন পাচ হাজার) টাকা প্রদান করবেন তাদেরকে প্রতিষ্ঠানে দাতা সদস্য হিসেবে মনােনীত করা হবে।
#ধারা-৭ সদস্য হওয়ার যােগ্যতা :
জন্মসূত্রে বাংলাদেশী নাগরিক নিম্নে বর্ণিত শর্তে এ সংগঠনের সদস্য হতে পারবেন।
ক) নুন্যতম ১৮ (আঠার) বছর বয়ষ্ক (ভােটাধিকার)।
খ) উন্নত নৈতিক চরিত্রের অধিকারী হতে হবে (আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত নহে)।
গ) সুস্থ্য মস্তিষ্কের অধিকারী হতে হবে (পাগল ও উম্মাদ নহে)।
ঘ) সংগঠনের আদর্শ ও উদ্দেশ্য এবং গঠনতন্ত্রের প্রতি অনুগত হতে হবে।
৬) নির্ধারিত মাসিক চঁাদা ও ভর্তি ফি পরিশােধ করতে হবে।
চ) সংগঠনের অর্পিত দায়িত্ব সক্রিয় ভাবে পালন।
ছ) সমাজকল্যাণ ও মানব সেবায় নিবেদিত।
জ) নুন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসির হইতে হবে।
ঝ) সক্রিয় সংবাদ কর্মী হতে হবে।
#ধারা ৮ সদস্য পদ বাতিল :
ক) কোন ব্যক্তি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলে এবং তা কাৰ্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক অনুমােদিত হলে।
খ) মৃত্যু হলে বা আদালতে নৈতিক অপরাধে অভিযুক্ত হলে।
গ) সংগঠনের স্বার্থ ও আদর্শের পরিপন্থী কার্যকলাপে লিপ্ত হলে।
ঘ) কোন সদস্য সংগঠনের মাসিক চাঁদা একাধিকক্রমে ৬ মাস প্রদান না করলে।
ঙ) কোন সদস্য বা সদস্যা সংগঠনের চাকুরী করলে ও বেতন গ্রহণ করলে।
চ) গ্রহণযােগ্য কারন ছাড়া পর পর ৩টি কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় উপস্থিত না থাকলে।
ছ) সংগঠনের কাজে পর পর ৬ (ছয়) মাস নিষ্ক্রিয় ও অকর্মন্য হয়ে পড়লে।
জ) সদস্যের স্বভাব, আচরন, মনােবৃত্ত্বি ও কর্মকান্ড প্রতিষ্ঠানের স্বার্থের পরিপন্থী হলে।
ঝ) পাগল ও উন্মাদ প্রমানিত হলে।
ঞ) আদালত কর্তৃক অপরাধী ঘােষিত হলে।
ট) মস্তিষ্ক বিকৃতি ও নৈতিক স্থলনের কারনে ফৌজদারী আদালত কর্তৃক দন্ডিত হলে।
ঠ) সদস্যের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়লে।
ড) তহবিল তছরুপ করলে এবং অবৈধ চাঁদাবাজি করলে।
ঢ) সংগঠনের গঠনতন্ত্র পরিপন্থী কাজ করলে এবং প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে স্বেচ্ছাচারী হলে।
ণ) সংগঠনের পক্ষ হয়ে সংগঠনের বিষয়ে কোন সদস্য পত্র-পত্রিকায়, সভা-সমিতি, সেমিনারে বিবৃতি প্রদানের পূর্বে কাৰ্যনির্বাহী পরিষদের অনুমতি গ্রহন না করলে।
ত) সংগঠনের অরাজনৈতিক ও অলাভজনক
ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করলে।
থ) সংগঠনের নামে কোন সদস্য গঠনতন্ত্র বহির্ভূত ও অবৈধভাবে চাদাবাজি ও জনগণের কাছ থেকে ডােনেশন/অনুদান গ্রহন করলে।
দ) সংগঠনের কার্য এলাকা পরিত্যাগ করলে।
ধ) সংগঠনের মূল্যবান রেকর্ডপত্র স্বেচ্ছাচারীভাবে কুক্ষিগত করে সংস্থার কার্যক্রমে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে।
ন) কোন অভিযোক্তে তদন্তে অভিযোগ প্রমানিত হলে।
#ধারা ৯ সদস্যদের অধিকার :
ক) সংগঠনের সকল সদস্যগন ঐক্যবদ্ধ থাকবে। যে কোন সদস্যের আপদ বিপদে সকল সদস্য সম্মেলিতভাবে সহযোগিতা করিবে।সংগঠনের খ) প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সাধারণ সদস্যগণের।ভােটাধিকার সংরক্ষিত থাকবে এবং সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতামত প্রদানের অধিকারও সংরক্ষিত থাকবে।
গ) সাধারণ সদস্যগণ কর্তৃক সাধারন সদস্যগণের মধ্য থেকে কার্য্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন করা হবে।
ঘ) সংগঠনের উন্নয়ন ও সমাজ উন্নয়নে সাধারণ সদস্যগণ মতামত ও সুপারিশ পেশ করবেন বা মতামত প্রকাশ করবেন৷
ঙ) সাধারণ সদস্যগণ নিম্নবর্ণিত বিষয়সমূহ অনুমােদন করবেন :
১. গঠনতন্ত্র পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংযােজন।
২. বার্ষিক হিসাব প্রতিবেদন।
৩. বার্ষিক হিসাব ও বাজেট।
৪. কাৰ্যনির্বাহী পরিষদ গঠন।
৫. ভােটাধিকার প্রয়ােগ করা।
#ধারা_১০ সদস্য ভর্তির নিয়মাবলী :
ক) সংগঠনের কর্তৃক নির্ধারিত আবেদন ফরমের মাধ্যমে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক বরাবর আবেদন করতে হবে।
খ) কার্যনির্বাহী পরিষদ সভায় গৃহিত প্রস্তাব অনুযায়ী সদস্য পদের আবেদন পত্র মঞ্জর/ খারিজ হবে।
গ) সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদক জমাকৃত আবেদন পত্র অনুমােদনের জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় পেশ করবেন এবং সাধারণ সভার অনুমােদনক্রমে সদস্য/সদস্যা খাতায় লিপিবদ্ধ করবেন।
ঘ) কার্য্যনির্বাহী পরিষদের সভায় সদস্য পদের জন্য আবেদনকারী ব্যক্তির নাম সংগঠনের সদস্য হিসেবে গন্য করা হলে ৩ (তিন) দিনের মধ্যে সংশিষ্ট ব্যক্তিকে বিষয়টি অবহিত করতে হবে।
ঙ) আবেদন পত্র গৃহীত হওয়ার পর কোষাধ্যক্ষের নিকট ভর্তি ফিঃ ১০০/- (একশত) টাকা এবং মাসিক ১০০/-(একশত) টাকা চাঁদা পরিশােধ করে সংগঠনের সদস্যভুক্ত হতে হবে।
#ধারা_১১ সদস্যপদ স্থগিতকরন :
গঠনতন্ত্রের ধারা- ৮ এর খ, ঙ, জ, ঞ, ট ও ড ব্যতিত ৮
ধারা অন্যান্য কারণে সদস্য পদ বাতিলের ক্ষেত্রে। প্রাথমিক ভাবে সদস্য পদ বাতিল না করে নােটিশের মাধ্যমে সতর্ক করা হবে। এতে সংশিষ্ট সদস্য সংশােধিত হলে সদস্য পদ স্থগিত করা হবে। পরে তাকে কারন দর্শানাের নােটিশ জারী করা হবে। নােটিশের প্রেক্ষিতে সদস্যদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযােগ থাকবে। সংগঠনের সদস্যদের প্রাথমিক সদস্য পদ বাতিলের পর সদস্যগনের জবাব সন্তোষজনক প্রমাণিত হলে কাৰ্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত মােতাবেক সদস্য পদ পুনর্বহাল করা হবে।
#ধারা_১২ সদস্যপদ নবায়ন/ পুন ভর্তি : কাৰ্যনির্বাহী পরিষদের অনুমােদনক্রমে বকেয়া সমুদয় চাঁদা পরিশােধ করলে এবং ভবিষ্যতে গঠনতন্ত্রের প্রতি অনুগত ও গঠনতান্ত্রিক ভাবে অর্পিত দায়িত্ব পালনে অঙ্গিকারবদ্ধ হলে লিখিত আবেদনক্রমে সদস্যপদ নবায়ন/ পুনভর্তি করা যাবে।
#ধারা_১৩ সংগঠনের ব্যবস্থাপনার জন্য সাংগঠনিক
কাঠামাে হলাে তিনটি :
ক) উপদেষ্টা পরিষদ
খ) সাধারণ পরিষদ
গ) কাৰ্যনির্বাহী পরিষদ
সাংগঠনিক কাঠামাের বিবরণ :
ক) উপদেষ্টা পরিষদ : কোন বিশেষ বিষয়ে যােগ্যতা,সুদক্ষ ও পারদর্শী এবং অভিজ্ঞতা সম্পন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গদেরকে নিয়ে সংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হবে। উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যগণ সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করবেন। সংগঠনের কার্যনির্বাহী পরিষদ কার্য্যনির্বাহী সভার মাধ্যমে আলােচনার ভিত্তিতে উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করতে পারবেন। এই পরিষদের মেয়াদ হবে দুই বছর। প্রয়ােজন বােধে কার্য্যনির্বাহী পরিষদ মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই উপদেষ্টা পরিষদ ভেঙ্গে নতুন।উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করবে।সংগঠনের গৃহীত উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড সমূহ বাস্তবায়নে এ পরিষদ উপদেষ্টা মূলক দায়িত্ব পালন করবেন।
খ) সাধারণ পরিষদ : সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ পরিষদের সকল সদস্য/সদস্যা নিয়ে গঠিত হবে সাধারণ পরিষদ। তবে সাধারণ পরিষদের সদস্য/ সদস্য সংখ্যার কোন সীমাবদ্ধ থাকবে।
গ) কার্যনির্বাহী পরিষদ : সাধারণ পরিষদ ২ বছরের জন্য একটি ২১ (একুশ) সদস্য বিশিষ্ট কার্য্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন করবেন। কার্য্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য সংখ্যা ১৫ (পনের) জন অবশ্যই নিম্নলিখিত কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত হবে৷
১। সভাপতি ১ জন
২| সহ-সভাপতি ২ জন
৩া সাধারণ সম্পাদক ১ জন
৪| সহ-সাধারণ সম্পাদক ১ জন
৫া কোষাধ্যক্ষ ১ জন
৬সাংগঠনিক সম্পাদক ১ জন
৭| সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ১ জন
৮| সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক ১ জন
৯। প্রচার ও প্রকাশক সম্পাদক ১ জন।
১০| যুব এ ক্রীড়া সম্পাদক ১ জন
১১ মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ১ জন।
১২। ধর্ম ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ১ জন।
১৩। মহিলা সম্পাদিকা ১ জন।
১৪। আইন সম্পাদক ১ জন।
১৫। স্বাস্থ্য সম্পাদক ১ জন।
১৬। সাধারন কার্যনির্বাহী  সদস্য ৫ জন সর্বমােট = ২১ নিয়ে পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন হবে। তবে সংগঠনের প্রয়োজনে সম্পাদক মন্ডলী সংখ্যা বৃদ্ধি করা যাবে।
#ধারা_১৫ কার্যনির্বাহী পরিষদের শূন্য পদ পূরণ :
কাৰ্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যগণ তাদের মেয়াদকালের মধ্যে পরিষদের পদ শূন্য হলে নিজেরাই সাধারণ পরিষদের সদস্যগণের উপস্থিতিতে কার্যনির্বাহী সদস্যদের ক্রমানুসারে জ্যৈষ্টতম সদস্ কমিটির দায়িত্বভার নিবেন। এবং অবশিষ্ট বাকী মেয়াদ পূর্ন করবেন।
#ধারা_১৬ কার্যনির্বাহী পরিষদের কার্যাবলী ও দায়িত্ব :
ক) কাৰ্যনির্বাহী পরিষদ সংগঠনের সকল ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করবেন এবং সংগঠনের কার্যক্রমের সমন্বয় সাধন ও পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন।
খ) কার্যনির্বাহী পরিষদ উহার সভায় উক্ত সংগঠনের যেকোন সদস্যকে বিশেষ কোন দায়িত্ব প্রদানের সিদ্ধান্ত নিবেন বা দায়িত্ব প্রদান করবেন।
গ) কাৰ্যনির্বাহী পরিষদ সংগঠনের বিভিন্ন প্রকার প্রকল্প গ্রহণ, বাস্তবায়ন ও অর্থ সংস্থানের ব্যবস্থা নিবেন।
ঘ) কাৰ্যনির্বাহী পরিষদের কোন সিদ্ধান্ত সংগঠনের মােট কাৰ্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যদের নূন্যতম (দুইতৃতীয়াংশ)অংশের সংখ্যাগরিষ্ট সদস্য কর্তৃক অনুমােদিত হতে হবে।
ঙ) কার্য্যনির্বাহী পরিষদ প্রতিষ্ঠানের তদারকী/ তত্বাবধান,সংগঠনের নিয়ম শৃঙ্খলা সংরক্ষণ, সদস্য আহরণ,বাতিল ইত্যাদি ব্যাপারে দায়িত্ব পালন করবেন এবং সমাজকল্যাণমূলক কাজের তদারকির দায়িত্ব পালন করবেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দিবেন।
চ) কাৰ্যনির্বাহী পরিষদ আইনগতভাবে কোন সদস্যের সদস্যপদ বাতিল করিতে বা নতুন সদস্য গ্রহণ করতে পারবেন। তবে সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্ত মােতাবেক অনুমােদন করবেন।
ছ) কাৰ্যনির্বাহী পরিষদ সকল প্রশাসনিক কাজ
পরিচালনা করবেন ও সংগঠনের সকল প্রকার কার্যাবলী সম্মন্ধে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ব্যাপারে পূর্ন ক্ষমতার অধিকারী হবে।
জ) সংগঠনের বার্ষিক বাজেট প্রণয়ন পূর্বক উহা বার্ষিক সাধারণ সভায় অনুমােদনের জন্য পেশ করবে।
ঝ) সংগঠনের তথা এলাকার স্বার্থে এবং শান্তি শৃঙ্খলার ব্যাপারে যে কোন আইনগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। তবে উহা সাধারণ সভায় অনুমােদিত হতে হবে।
ঞ) যে কোন কার্য সম্পাদনের জন্য কাৰ্যনির্বাহী পরিষদ বিভিন্ন উপ-কমিটি। সাব-কমিটি গঠণ করতে পারবে।
ট) নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমােদনক্রমে সংগঠনের কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়ােগ করা।
#ধারা_১৭ সংগঠনের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যগণের
দায়িত্ব। কর্তব্য :
১। সভাপতি :
ক) কাৰ্যনির্বাহী পরিষদের সভা, বার্ষিক সাধারণ সভা বা বিশেষ সাধারণ সভা বা অন্য যে কোন সভায় সভাপতিত্ব করবেন এবং সাধারণ সম্পাদককে সভা আহ্বানের পরামর্শ প্রদান করবেন।
খ) তিনি প্রয়ােজনে প্রতিষ্ঠানের সভা আহ্বান করবেন।
গ) তিনি প্রতিষ্ঠানের কার্যনির্বাহীসদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা ও পরিচালনার নিয়মাবলী নির্ধারন করবেন।
ঘ) প্রতিষ্ঠানের নিয়ােগকৃত কর্মকর্তাদের অর্পিত কাজে উৎসাহ, সহযােগিতা ও পরামর্শ প্রদান করবেন।
ঙ) তিনি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে অন্য যে কোন প্রতিষ্ঠানের চুক্তিপত্রে স্বাক্ষরদাতা হবেন।
চ) তিনি সকল বিভাগীয় কর্মকর্তাদের কাজে তদারকি,পরামর্শ ও উৎসাহ প্রদান করবেন এবং যে কোন সভা সিম্পােজিয়াম/ সেমিনারে সংস্থার পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করবেন। তিনি সংস্থার পক্ষে যে কোন অথিতিকে অভ্যর্থনা ও সাক্ষাৎকার প্রদান করবেন।
অভ্যর্থনা ও সাক্ষাৎকার প্রদান করবেন।
ছ) তিনি সংগঠনের কার্য বিবরণী অনুমােদন করবেন।
জ) তিনি সংগঠনের সকল ব্যয় ভাউচার অনুমােদন করবেন৷
ঝ) সকল কার্যাবলী তদারক ও পরামর্শ প্রদান করবেন।
ঞ) প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি রক্ষার্থে সর্বদা তৎপর থাকবেন।
ট) কোন কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে তার কাজ পরিচালনার জন্য তিনি কার্যনির্বাহী পরিষদের অন্য কোন সদস্যকে মনােনয়ন দিতে পারেন।
২। সহ-সভাপতি :
ক) তিনি সভাপতির সকল কাজের সহযােগিতা করবেন।
খ) তিনি সভাপতির অবর্তমানে কার্যনির্বাহী সদস্যদের অনুমতিক্রমে সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
গ) তিনি নির্বাহী পরিষদের অর্পিত দায়িত্ব সম্পাদন করবেন।
৩। সাধারণ সম্পাদক :
ক) তিনি সংগঠনের স্থাবর অস্থাবর সম্পদের হিসাব সংরক্ষন করবেন এবং কার্যনির্বাহী পরিষদের ও সর্ব প্রকার সাধারণ সভার কার্যবিবরনী সংরক্ষণ করবেন।
খ) সংগঠনের বার্ষিক কার্যক্রমের প্রতিবেদন তৈরি করা এবং কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমােদনক্রমে তা সাধারণ সভায় পেশ করা, প্রচার করা এবং সংগঠনের অন্যান্য কার্যক্রম জনসমক্ষে তুলে ধরা।
গ) সংগঠনের সদস্যগণের তালিকা সংরক্ষণ করা এবং সংগঠনের কার্যক্রম সম্বন্ধে তাহাদিগকে অবহিত করবেন।
ঘ) সহযােগী ও সহকর্মীদের মধ্যে যােগাযােগ রক্ষা করা। ব্যবস্থা করা ও সংগঠনের নথিপত্র সংরক্ষণ করা এবং সভার কার্যবিবরণী লিপিবদ্ধ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
ঙ) সভাপতির পরামর্শক্রমে সংস্থার সকল সভা আহবান ও সভা লিপিবদ্ধ করবেন এবং সভার দিন তারিখ নির্ধারন করবেন।
চ) তিনি সংগঠনের স্থাবর অস্থাবর সম্পদের জন্য কবুক সংরক্ষণ করবেন।
ছ) বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ও কার্যক্রমের বার্ষিক রিপাের্ট পেশ করবেন।
৪| সহ-সাধারণ সম্পাদক :
ক) তিনি সাধারণ সম্পাদকের সকল কাজের সহযােগিতা করবেন।
খ) তিনি সাধারণ সম্পাদকের অবর্তমানে তার দায়িত্ব পালন করবেন।
গ) তিনি নির্বাহী পরিষদের অর্পিত দায়িত্ব সম্পাদন করবেন।
৬। সাংগঠনিক সম্পাদক :
ক) তিনি সংস্থার সাংগঠনিক বিষয়ক দায়িত্ব পালন করবেন।
খ) তিনি নির্বাহী পরিষদের অর্পিত দায়িত্ব সম্পাদন করবেন।
গ) সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের কাজে সহযােগিতা করবেন।
ঘ) নির্বাহী পরিষদের সভায় উপস্থিত থেকে মতামত ব্যক্ত করবেন।
৫। অন্যান্য সকল সম্পাদক মন্ডলী
ক) তিনি নির্বাহী পরিষদের অর্পিত দায়িত্ব সম্পাদন করবেন।
খ) নির্বাহী পরিষদের সভায় উপস্থিত থেকে মতামত ব্যক্ত করবেন।
গ) তিনি তার দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভাগের কর্মপরিকল্পনা নির্বাহী সভায় পেশ ও আলোচনা করবেন।
ঘ) তিনি কোন সিদ্ধান্তই নির্বাহী সভায় আলোচনা ব্যতিত বাস্তবায়ন করতে পারবেন না। এবং সকল সম্পাদক মন্ডলী তার উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করতে বাধ্য থাকিবে।
৬। কার্যকরী সদস্য :
কার্যকরী সদস্যবৃন্দ কাৰ্যনির্বাহী পরিষদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন সদস্য। সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকদ্বয়ের অনুপস্থিতিতে কার্যকরী সদস্যদের ক্রমানুসারে জ্যৈষ্টতম সদস্য সভায় সভাপতিত্ব করবেন এবং সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের কাজে সহযােগিতা করবেন ও অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
#ধারা_১৮ সাধারণ পরিষদের ক্ষমতা ও দায়িত্ব :
ক) সংগঠনের স্বার্থে সাধারণ পরিষদ যে কোন বৈধ সিদ্ধান্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং গৃহীত সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত বলে গন্য হবে। প্রতিষ্ঠাতা সদস্যসহ সাধারণ সদস্য কর্তৃক কাৰ্যনির্বাহী পরিষদ গঠিত হবে।
খ) এই সংগঠনের নিবন্ধিকরনের ১৮ (আঠার) মাসের মধ্যে বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে।
গ) সংগঠনের সাধারন পরিষদ কর্তৃক নিযুক্ত বা মনােনীত কর্মী পর্যবেক্ষক হিসেবে কাৰ্যনির্বাহী পরিষদের বা।অন্যান্য সভায় উপস্থিত থাকতে পারবেন, কিন্তু তাদের কোন ভােটাধিকার থাকবে না।
ঘ) গত সাধারণ সভার কার্যবিবরনী পাঠ ও অনুমােদন করা।
ঙ) সর্বপ্রকার রিপাের্ট পেশ ও আলােচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহন।
চ) উপবিধি সংশােধন (যদি থাকে)
ছ) মূলতবী প্রস্তাব/ বিবিধ
জ) সংগঠনের যে কোন গুরুত্বপুর্ন বিষয়ে কার্যনির্বাহী পরিষদকে সাধারণ পরিষদের মতামত গ্রহণ করতে হবে।
ঝ) কাৰ্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য নির্বাচনে সাধারন পরিষদ দায়িত্ব পালন করিবেন।
#ধারা_১৯ বিভিন্ন প্রকার সভা ও সভার নিয়মাবলী :
ক) সাধারণ সভা।
খ) কাৰ্যনির্বাহী পরিষদের সভা।
গ) জরুরী সভা।
ঘ) বিশেষ সাধারণ সভা।
ঙ) মূলতবী সভা।
চ) তলবী সভা।
সাধারণ সভা :
কমপক্ষে বছরে একবার সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং উহা বার্ষিক সাধারণ সভা রূপে গন্য হবে। তবে বিশেষ জরুরী প্রয়ােজনে বিশেষ সাধারণ সভাও আহবান করা যাবে। সাধারণ সভায় নিম্নলিখিত বিষয়গুলি অনুমােদন লাভ করবে। সাধারণ সভা ১৫ (পনের) দিনের নােটিশ সময়, তারিখ ও স্থান উল্লেখ করে আহবান করা হবে।
১। প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক প্রতিবেদন।
২ বার্ষিক বাজেট ও হিসাব।
৩া বার্ষিক সাধারন সভায় সংস্থার আয় ব্যয়ের অভ্যন্তরীণ অডিটের জন্য অডিটর মনােনয়ন করা।
৪।  সংগঠনের গঠনতন্ত্রের ধারা, উপ-ধারা পরিবর্তন,পরিবর্ধন বা সংযােজন।
৫। সভার সিদ্ধান্ত মােট সদস্যের নূন্যতম অংশের উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ন হবে। কোরাম পূর্নসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের প্রস্তাব সভার সিদ্ধান্ত হিসেবে গৃহীত হবে।
কাৰ্যনির্বাহী পরিষদের সভা :
১। বৎসরে কমপক্ষে কাৰ্যনির্বাহী পরিষদের ১২টি সভা
অনুষ্ঠিত হবে।
২। নূন্যতম ৩ দিন পূর্বে সময়, তারিখ ও স্থান উল্লেখপূর্বক সভার নােটিশ জারী করিতে হবে। নুন্যতম অংশ সভার নােটিশ জারী করিতে হবে। নূন্যতম অংশ। কাৰ্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যদের উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ন হবে কোরাম পূর্ন সভার সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের প্রস্তাব সভার সিদ্ধান্ত হিসেবে গৃহীত হবে।
জরুরী সভা :
জরুরী সভা ৩ (তিন) দিনের নােটিশে সময়, তারিখ ও স্থান উল্লেখ করে আহবান করা যাবে। মােট সদস্যদের নূন্যতম (দুই তৃতীয়াংশে) এর উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ন।
হবে। কোরাম পূর্ন সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের প্রস্তাব সভার সিদ্ধান্ত হিসেবে গৃহীত হবে।
বিশেষ সাধারণ সভা :
যে কোন বিশেষ কারণে সাধারণ সভা ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে নােটিশে আহবান করা যাবে। তবে এ সভায় বিশেষ এজেন্ডা ছাড়া অন্য কোন বিষয়ে আলােচনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। বিশেষ এজেন্ডার উদ্দেশ্য লিপিবদ্ধ করে যথারীতি নােটিশ প্রদান করতে হবে। মােট সদস্যের নূন্যতম (দুই তৃতীয়াংশ) এর উপস্থিতে কোরাম পূর্ন হবে। কোরাম পূর্ন সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের প্রস্তাব সভার সিদ্ধান্ত হিসেবে গৃহীত হবে।
মূলতবী সভা:
১। কোরামের অভাবে মূলতবী সাধারণ সভা মূলতবীর
তারিখ থেকে পরবর্তী ২১ (একুশ) দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। মূলতবী সভার তারিখ হতে ৭ (সাত) দিনের মধ্যে নােটিশ জারী করতে হবে। অনুষ্ঠিত সভার গৃহীত সিদ্ধান্ত মােট সাধারণ পরিষদ সদস্যদের নূন্যতম (দুই তৃতীয়াংশ) এর সিদ্ধান্তক্রমে চুড়ান্ত বলে গন্য হবে।
২৷ কাৰ্যনির্বাহী পরিষদের সভা ৩ (তিন) দিনের নােটিশ কোরামের অভাবে মূলতবী হলে দ্বিতীয়বার ৩ (তিন)দিনের নােটিশে অনুষ্টিত সভার কোরাম পূর্ণ না হলেও যত জন সদস্য উপস্থিত থাকবেন তাদের নিয়ে নদর নিয়েট মলতরী সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং সভার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গন্য হবে।
তলবী সভা :
১। গঠনতন্ত্রের বিধান অনুযায়ী সভাপতি, সাধারণ
সম্পাদক সংগঠনের সভা আহবান না করলে কমপক্ষে মােট সদস্যদের নূন্যতম (দুই তৃতীয়াংশ) সদস্য- একজন আহবায়ক মনােনীত করে বিশেষ সাধারণ সভার কর্মসূচীর এজেন্ডা বা উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে স্বাক্ষর দান করতঃ তলবী সভার আবেদন সংগঠনের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকের কাছে জমা দিতে পারবেন।
২। সভাপতি সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক তলবী সভার আবেদন প্রাপ্তির ২১ (একুশ) দিনের মধ্যে তলবী সভার আহবান করবেন। তলবী সভার আবেদন প্রাপ্তির ২১ (একশ) দিনের মধ্যে সভাপতি সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক তলবী সভা আহবান না করলে ২১ (একুশ) দিনের মেয়াদ উত্তীনের তারিখ হতে পরবর্তী ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে ১৫ (পনের) দিনের নােটিশে সাধারন সদস্যগন আহবায়কের নের্তৃত্বে তলবী সভা আহবান করতে পারবেন। মােট সদস্যের (দুই তৃতীয়াংশ) এর উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ন হবে। কোরাম পূর্ন সভার সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের প্রস্তাব সভার সিদ্ধান্ত হিসেবে গৃহীত হবে৷ তলবী সভা সংগঠনের কার্যালয়ে আহবান করতে হবে।
#ধারা_২০ তহবিল সংগ্রহ :
নিম্নলিখিত ভাবে সংগঠনের তহবিল সংগ্রহ করিতে পারবেন
ক) ভর্তি ফি।
খ) সদস্য চাঁদা।
গ) এককালীন সদস্য চাঁদা।
ঘ) এককালীন অনুদান ও কোন প্রকল্প হইতে আয় এবং ব্যাংক, সংস্থা, ফাউন্ডেশন ও অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ গ্রহণের মাধ্যমে তহবিল গঠন।
ঙ) কোন বিশেষ ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের অনুদান।
চ) সরকারী অনুদান।
ছ) সরকারের বিশেষ প্রকল্প অনুদান/ ঋণগ্রহণ।
জ) যে কোন কাজে বিদেশী দান, অনুদান এবং বিদেশী এম্বেসীর দান, অনুদান ইত্যাদি।
#ধারা_২১ আর্থিক ব্যবস্থাপনা:
ক) সংগঠনের আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে এলাকাস্থ বা দেশের যে কোন সিডিউল ব্যাংকে সংস্থার নামে একটি সঞ্চয়ী/ চলতি হিসাব খুলতে হবে।
খ) উক্ত সঞ্চয়ী/ চলতি হিসাব নম্বর সংগঠনের সভাপতি,সাধারণ সম্পাদক এবং কোষাধ্যক্ষ এই তিন জনের মধ্যে যে কোন ২ জনের যৌথ স্বাক্ষরে ব্যাংক হিসাব পরিচালিত হবে।
গ) সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পরামর্শক্রমে কোষাধ্যক্ষ চলমান খরচ নির্বাহের জন্য ৫,০০০/- (পাঁচ। হাজার) টাকা হস্তমজুদ রাখতে পারবেন। হস্তমজুদের টাকা খরচের পর তা পরবর্তী কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় অনুমােদন গ্রহন করতে হবে।
ঘ) আর্থিক বছর শেষে তহবিলের অর্থ বা জমাকৃত তহবিলের অর্থ সদস্যদের মধ্যে বন্টন করা যাবে না।শুধুমাত্র সংগঠনের আদর্শ ও উদ্দেশ্য অর্জনে এবং কর্মসূচী বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কল্যাণমুখী, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও অসহায়দের কাজে খরচ করা যাবে।
ঙ) সংগঠনের প্রয়ােজনীয় অর্থ খরচের পূর্বে উত্তোলনের জন্য কাৰ্যনির্বাহী পরিষদের সভায় অনুমােদন গ্রহন করা হবে।
চ) সংগঠনের নামে সংগৃহিত অর্থ কোন অবস্থাতে হাতে রাখা যাবে না। সংগৃহিত অর্থ প্রাপ্তির পর যথাশীঘ্র সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দিয়ে জমার রশিদ সংগ্রহ করা হবে।
ছ) সকল ব্যাংক লেনদেনের ক্ষেত্রে ব্যাংকিং নীতিমালা অনুসরন করা হবে৷
#ধারা_২২ নির্বাচন পদ্ধতি :
ক) কাৰ্যনির্বাহী পরিষদ : সাধারণ সদস্যবৃন্দের প্রস্তাবনা,সমর্থন ও গােপন ব্যালটের মাধ্যমে কাৰ্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচিত হবে। কাৰ্যনির্বাহী পরিষদ গঠন করে ১ (এক) মাসের মধ্যে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট হতে অনুমােদন গ্রহন করতে হবে। নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমােদনের পরেই নির্বাচিত কমিটি চূড়ান্ত বৈধতা লাভ করবে।
খ) মেয়াদ : নির্বাচিত বা মনােনীত হওয়ার দিন হতে পরবর্তী দুই বছর মেয়াদ পর্যন্ত কার্য্যনির্বাহী পরিষদের মেয়াদকাল বলবৎ থাকবে।
#ধারা_২৩ নির্বাচন কমিশন
সংগঠনের নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবেন না বা সংগঠনের সদস্য নন এমন ৩ (তিন) জন বিশিষ্ট ব্যক্তির সমন্বয়ে ১ জন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও ২ জনকে সদস্য করে কার্যকরি পরিষদ কর্তৃক ৩ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে। প্রয়ােজনে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। নির্বাচনের পর নির্বাচন কমিশন বিলুপ্ত হবে।
#ধারা_২৪ ভােটের প্রনালী :
এক ব্যক্তি একটি পদে একটি করে ভােট প্রদান করবেন এবং কোন প্রতিনিধির মাধ্যমে ভােট দেওয়া যাবে না।নির্বাচনের ৩০ (ত্রিশ) দিন পূর্বে নির্বাচনী তফসিল ঘােষণা করবেন। নির্বাচন বিষয়ে কমিশন কর্তৃক গৃহীত
সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।
#ধারা_২৫ বৈদেশিক সাহায্য/ অনুদান বিষয়ক :
সংগঠনের বৈদেশিক সাহায্য/ অনুদান গ্রহণের ক্ষেত্রে ১৯৭৮ সালের ফরেন ডােনেসন অধ্যাদেশের বিধি বিধান প্রতিফন করবে। বৈদেশিক সাহায্য/ অনুদান গ্রহণের পর  সরকারের যে কোন একটি সিডিউল ব্যাংকে একটি মাত্র হিসাব পরিচালনা করবে।
#ধারা_২৬ ঋণ পরিশােধ :
সংগঠন কর্তৃক বিভিন্ন ব্যাংক, অর্থলগ্নি প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য উৎস থেকে গ্রহনকৃত ঋণ পরিশােধ এর দায়দায়িত্ব সংগঠনের নির্বাহী পরিষদ বহন করবে।
#ধারা_২৭ অডিট :
ক) প্রতি ১ বৎসর পর পর সংগঠনের সকল আয় ও ব্যয় সমাজসেবা অফিসার অথবা সরকার অনুমােদিত কোন অডিট ফার্ম দ্বারা অডিট করতে হইবে। বার্ষিক অডিট প্রতিবেদন নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করা
খ) সংগঠনের আয় ব্যয় নিরীক্ষার জন্য একটি অভ্যান্তরীন নিরীক্ষা কমিটি গঠন করা হবে। সংগঠনের কার্যনির্বাহী পরিষদ সাধারণ সদস্যদের মধ্যে থেকে ৩ (তিন) সদস্য বিশিষ্ট নিরীক্ষা কমিটি গঠন করবে। প্রতি আর্থিক বছরে অভ্যান্তরীন নিরীক্ষা কমিটি সংগঠনের আয় ব্যয় নিরীক্ষা করবে। প্রয়ােজনে কাৰ্যনির্বাহী পরিষদ অভ্যান্তরীন নিরীক্ষা কমিটির সদস্য রদবদল করতে পারবে।
#ধারা_২৮ লােক/ জনবল নিয়ােগ :
সংগঠনের কর্মসূচী ও প্রকল্প বাস্তবায়নকল্পে প্রয়ােজনীয় জনবল নিয়ােগের জন্য কাৰ্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক ৩(তিন) সদস্য বিশিষ্ট একটি নিয়ােগ বাের্ড গঠন করা হবে।লােক নিয়ােগের পূর্বে জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় নিয়ােগ বিজ্ঞপ্তি জারী করা হবে। লােক নিয়ােগের জন্য চাকুরী প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হবে। নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমােদনক্রমে লােক/ জনবল নিয়ােগ করা হবে। লােক নিয়ােগে কোন ব্যাংক ড্রাফট ও জামানত গ্রহণ করা হবে না।
#ধারা_২৯ গঠনতন্ত্রের সংশােধন :
গঠনতন্ত্রের কোন ধারা সংশােধন, সংযােজন ও পরিবর্তন, পরিবর্ধন করতে হলে সাধারণ সভায় মােট সদস্যের নূন্যতম (দুই তৃতীয়াংশ) সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভােটে| সমর্থনের মাধ্যমে তা গৃহীত হবে হতে এবং নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমােদনে তা কার্যকর হবে।
#ধারা_৩০ তহবিল বৃদ্ধি :
সংগঠনের তহবিল বৃদ্ধিকল্পে যে কোন বিশেষ প্রকল্প।কর্মসূচী/ অনুষ্ঠান গ্রহন করা হলে সেক্ষেত্রে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি গ্রহন করা হবে। গৃহীত প্রকল্প কর্মসূচী অনুষ্ঠান শেষে আয়-ব্যয়ের পূর্ন হিসাব বিবরনী নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করা হবে।
#ধারা_৩১ বিধি ও আইনের প্রাধান্য :
অত্র গঠনতন্ত্রের যা-কিছু উল্লেখ থাকুক না কেন উক্ত সংগঠনটি দেশের প্রচলিত আইনানুযায়ী ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের
অনুমােদনক্রমে সকল কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
#ধারা_৩২ সংগঠনের বিলুপ্তি :
যদি কোন অনিবার্য কারণে সংগঠনের বিলুপ্তির প্রশ্ন ওঠে। তবে সংগঠনের সকল দায়দেনা কাৰ্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক পরিশােধ করে মােট সদস্যের নূন্যপক্ষে (তিন পঞ্চমাংশ) সাধারণ সদস্যের সিদ্ধান্তক্রমে নিবন্ধীকরণ।

Check Also

নীলফামারীতে গণমাধ্যম কর্মীদের নিয়ে করোনা প্রতিরোধ বিষয়ক কর্মশালা।

মনিরুজ্জামান লেবু নীলফামারী প্রতিনিধিঃ নীলফামারীতে গণমাধ্যম কর্মীদের নিয়ে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: