শনিবার , জানুয়ারি ১৬ ২০২১
Home / সারা দেশ / তৃনমুল কর্মী ও জনতা হাফিজকেই রেখেছে পছন্দের শীর্ষে।

তৃনমুল কর্মী ও জনতা হাফিজকেই রেখেছে পছন্দের শীর্ষে।

বিশেষ প্রতিনিধি, গাজীপুর : আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ইচ্ছায় যথা সময়ে হতে যাচ্ছে দলের সম্মেলন। সে হিসেবে আগামী অক্টোবর মাসে দলটির কেন্দ্রীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে পারে। আর এ সম্মেলনকে সামনে রেখে তৃণমূল গোছাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন দলের নেতারা।

বহুল প্রত্যাশিত কাউন্সিল হওয়ায় নেতা-কর্মীদের মাঝে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে পেয়েছে। জমে উঠেছে রাজনৈতিক মাঠ। এদিকে সম্মেলনে কাঙ্খিত পদে অধিষ্ঠিত হতে মরিয়া হয়ে ওঠেছে পদপ্রত্যাশী নেতারা। গুরুত্বপূর্ণ দুটি পদের জন্য ইতিমধ্যে লভিং-গ্রুপিং শুরু করেছেন প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মী । বর্তমানে প্রচারনায় যারা ব্যস্ত তাদের অনেকেই আগে জামাত বিএনপি পরে আবার সুবিদালীগ করেছে তাই উপযোক্ত ত্যাগী ও আসল কর্মীকেই মুল্যায়ন করতে চায় দল তবে এ পদের জন্য যারা দোঁড়-ঝাপে ব্যস্ত আছেন তাদের অধিকাংশই বিতর্কিত হওয়ায় দলীয় শীর্ষ নেতৃত্ব সন্ধান করছে পরিচ্ছন্ন ও পরিক্ষিত পার্থী।

আওয়ামী কর্মী সমর্থকরা বলেছেন, বিচক্ষণ রাজনীতিক হাফিজুর রহমান রাজনীতির সংকটময় মুহূর্তে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। সততা ও ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর রাজনীতিসহ কর্মক্ষেত্রে গুণগত পরিবর্তনে তিনি থাকেন সোচ্চার। হাফিজুর রহমানের রাজনীতির পাদপ্রদীপে আসেন ওয়ান-ইলেভেনের সময়ে। দলের সভাপতি শেখ হাসিনা যখন কারাবন্দি, শীর্ষ নেতারা যখন আদর্শের পরীক্ষায় হাবুডুবু খাচ্ছেন, মামলা হামলার আশঙ্কায় দল যখন টালমাটাল, ঠিক তখন আওয়ামী কর্মী সমর্থকদের সার্বিক সাহায্য সহযোগিতা করেন তিন।

হাফিজুর রহমানের সুখ্যাতির শুরু হয় আও্য়ামীলীগ সরকারের তৃতীয় মেয়াদে যখন তৎকালীন সাংসদ রহমত আলীর অসুস্থতার অজুহাতে তার পুত্র গাজীপুর ৩ আসনে তথা গাজীপুরে নিজের সাম্রাজ্য তৈরী করে তখনই তীব্র আন্দোলন গরে তুলেন জনাব হাফিজ ।
তখনই সবচেয়ে প্রতিবাদী রাজনীতিবিদের তকমা লাগে তার গায়ে। স্থানীয় প্রশাসন থেকে শুরু করে এক কথায় বলতে গেলে প্রায় পুরো গাজীপুর ছিল তার করায়ত্তে। তার গঠনমূলক সমালচনা ও প্রতিবাদ থেকে বাদ যায়না তার অনুসারি থেকে শুরু করে স্বয়ং তার আপন বড় ভাই ও বর্তমান শ্রীপুর পৌসভার মেয়র আনিছুর রহমান । যা এবারের উপজেলা নির্বাচনে সবাই পত্তক্ষ করেছে । আর তাই এলাকায় বর্তমানে ফাটা কেস্ট নামেই পরিচিত তিনি ।

এবিষয়ে বীর মুক্তিযুদ্ধা মোঃ সাহবুদ্দিন বলেন, রাজনীতি মানে নাকি ‘রাজার নীতি’। আর একটু বিশ্লেষণ করলে আমরা বুঝি নীতির রাজা বা শ্রেষ্ঠ নীতি। অর্থাৎ সর্বশ্রেষ্ঠ নীতির আদর্শে যে নীতি গঠিত হয় সেটাই রাজনীতি। নীতিহীন রাজনীতিকরাই রাজনীতিকে বেশি কলুষিত করেছে। এরা খুবই ভঙ্গুর চরিত্রের এবং সমাজে এদের দুর্নামও বেশি। এরা রাজনীতিতে সৎ ও আদর্শের নীতির চর্চা করেন না। যে কারণে জাতি আজ নৈতিকতাহীন নেতৃত্বে বেড়ে উঠছে। ভেবে দেখুন, একজন চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, খুনি, মাদক ব্যবসায়ী যখন সমাজের নেতৃত্বে আসবেন তখন তারা আপনার জন্য কী করবে? এখন রাজনীতি মানে ব্যবসার নীতি যা অত্যান্ত বেদনাদায়ক ।

এবিষয়ে শ্রীপুর উপজেলার গোসিংগা ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা সাত্তার বলেন জাতীয় সম্মেলনকে সামনে রেখে বিভিন্ন কোম্পানির বিজ্ঞাপনী অফারের মতো নানান লোভনীয় অফার দিচ্ছেন প্রার্থীরা। রাস্তার বিলবোর্ড ছেয়ে গেছে তাদের প্রতিশ্রুতির ফুলঝুড়িতে। সম্মেলন এলে প্রার্থীরা যেমন গাল ভরা প্রতিশ্রুতি দেন, তেমনি তারা সবাই ব্যস্ত হয়ে ওঠেন কর্মী সমর্থক, সব বয়সী মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে। যার দিকে কখনও কোনোদিন ফিরেও তাকাবেন না, সেই তাকেই সালাম দিয়ে কাছে টেনে নেন, বুকে জাড়িয়ে ধরেন।অনেকের নামে ভূমি দখল, রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাৎয়ের মতো অভিযোগও শোনা যায়। বোঝাই যায়, আজকে রাজনীতির মাঠে নীতিহীন নেতার সংখ্যা কতটা বেড়েছে। এদের অনেকেই স্থানীয় এমপি, মন্ত্রীদের ছবি সংবলিত রঙিন পোস্টার, ব্যানার, লিফলেট ছাপিয়ে বড় নেতা বনে যান। অনুষ্ঠানের নামে চলে চাঁদা তোলার মহড়া।এ ধরনের নেতা স্বার্থের জন্য কারো পায়ে মাথা ঠেকাতেও দ্বিধা করে না। আবার স্বার্থের জন্য সোই পা ভেঙে দিতেও দুইবার ভাবে না। তাই এদের শুধু পত্যাহারই নয় দল থেকেও বহিস্কার করতে হবে ।

জরিপে সবশেষে অংশগ্রহনকারী শ্রীপুর উপজেলার তেলীহাটি ইউনিয়নের যুবলীগ কর্মী রাসেল মিয়া বলেন আমরা আগামীদিনে এমন একজন যোগ্য ব্যক্তিকে চাই যার নেতৃত্বের সকল গুণাবলী আছে, শুধু আশেপাশের কিছু নিজস্ব লোকজন দ্বারা পরিবেস্টিত থাকে আর পুরো ইউনিয়ন, উপজেলা থেকে সম্পুর্ন বিচ্ছিন্ন হয়ে শুধু ব্যবসা আর নিজের আখের গোজাতে ব্যস্ত থাকে এমন কাউকে নয় । যে হবে কর্মীবান্দব ও সংগঠনপ্রেমী নেতা আমরা আগামী দিনে তাকেই চাই।

খোঁজ নিয়ে জানা যায় এলাকাবাসির অভিমত দলের প্রয়োজনে, আমজনতার আকাংখার কথা মাথায় রেখে সকলকেই সাধ্যমত সহযোগিতার মাধ্যমে মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন সবুজের রাজনীতিতে হাফিজের গুরুত্বপূর্ণ অবদানকে সকলেই ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন।আজকের এই অবস্থানে নিয়ে আশার ক্ষেত্রে হাফিজের স্মরনীয় ভুমিকা থাকায় দল-জনতা সকলেই হাফিজকে এই উপজেলার গুরুত্বপুর্ন পদে দেখতে চায়।

বড় ভাই আনিছুর রহমান টানা ৪র্থবারের মত মেয়র নির্বাচিত হয়ে ইতিমধ্যেই এলাকায় তার উন্নয়ন কর্মকান্ডের মধ্য দিয়ে ব্যপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।তারই ধারাবাহিকতায় হাফিজ নির্বাচিত হলে উন্নয়নের গতি আরো বহুগুন বেড়ে যাবে বলে তাদের বিশ্বাস।এলাকাবাসি আরো জানায় প্রকৃত অর্থে যেহেতু এখানে আওয়ামিলিগের কোন্দল উপেন সিক্রেট তাই হাফিজ নির্বাচিক হলে সাংগঠনিক ভাবে বৈতরনি পার হতে পারবেন বলে তারা সকলেই আশাবাদি।

Check Also

নীলফামারীতে গণমাধ্যম কর্মীদের নিয়ে করোনা প্রতিরোধ বিষয়ক কর্মশালা।

মনিরুজ্জামান লেবু নীলফামারী প্রতিনিধিঃ নীলফামারীতে গণমাধ্যম কর্মীদের নিয়ে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: